1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৫শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
রংপুর-২ আসনে বিপুল ব্যবধানে এটিএম আজহারুল ইসলামের বে-সরকারি বিজয় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার তারাগঞ্জে ভোটগ্রহণের হার ৬৬.৩৬ শতাংশ উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে স্মার্টফোন! আইন লঙ্ঘন নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতা? গাইবান্ধায় ৬৭৫ ভোটকেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ গাইবান্ধা-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী ভোট দিলেন পলাশবাড়ীতে বাড়ির ছাদ থেকে ২০০ বাঁশের লাঠি উদ্ধার জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাইবান্ধায় র‌্যাবের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৬৭৫টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছছে

চীনকে ঠেকাতেই কি অরুণাচলে দীর্ঘতম সেতু নির্মাণ করলো ভারত

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের সঙ্গে অরুণাচল প্রদেশকে যুক্ত করে নির্মাণ করা এক সেতু শুক্রবার উদ্বোধন করা হয়েছে যা ভারতের দীর্ঘতম সড়ক সেতু। এটির মোট দৈর্ঘ্য নয় দশমিক পনের কিলোমিটার।

কয়েকটি নদীর উপর দিয়ে যাওয়া ঢোলা সাডিয়া সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে।

সেতুটি যারা তৈরি করেছে, সেই কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এত দীর্ঘ একটি সেতুর ডিজাইন তৈরি করা এবং সেটির নির্মাণ কাজ প্রকৌশলীদের জন্য ছিল এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। কিন্তু তারপরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এটির কাজ শেষ করা গেছে।

অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে যেহেতু প্রতিবেশী চীনের সঙ্গে ভারতের বিরোধ রয়েছে, তাই এই সেতুটিকে ঐ অঞ্চলে ভারতের সামরিক ও অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এক বিরাট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চীন অরুণাচল প্রদেশকে তার নিজের এলাকা বলে দাবি করে এবং তারা এই অঞ্চলটিকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ হিসেবে বর্ণনা করে থাকে।

তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাই লামা যখন সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশ সফর করেন, তখন এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল চীন। সেখানে ভারতের সামরিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানাচ্ছে চীন।

তবে ভারত বলছে, অরুণাচল প্রদেশ তাদের এবং সেখানে এরকম অবকাঠামো তৈরি করার অধিকার তাদের আছে।

ভারতের সহকারী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী খিরেন রিজিজু এই অরুণাচল প্রদেশেরই মানুষ। তিনি বলেছেন, “চীন যখন দিনে দিনে আরও আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখাচ্ছে, তখন নিজেদের সীমানা রক্ষায় এরকম ভৌত অবকাঠামো তৈরি করার এটাই উপযুক্ত সময়।”

তিনি আরও বলেছেন, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অংশ এবং সেটা কেউ পছন্দ করুক আর না করুক এই বাস্তবতার কোন পরিবর্তন হবে না।

এই দীর্ঘ সেতু ছাড়াও অরুণাচলে একটি দুই লেনের মহাসড়কও তৈরি করছে ভারত। বড় বড় সামরিক পরিবহন বিমান অবতরণ করতে পারে এরকম কিছু অবতরণ ক্ষেত্রের নির্মাণ কাজও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গগনজিৎ সিং বলেন, “চীনকে যদি কোন যুদ্ধে মোকাবেলা করতে হয়, তাহলে আমাদের এমন অবকাঠামো দরকার যাতে দ্রুত সেখানে সৈন্য এবং রসদ পাঠানো যায়। এই সেতুটি সেদিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর দীর্ঘ সময় ধরে ভারত অরুণাচলে কোন সড়ক অবকাঠামো তৈরি করেনি এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে যে চীন যদি আবার কখনো আক্রমণ করে তাদের সৈন্যরা এসব রাস্তাঘাট ব্যবহার করবে। কিন্তু আমার মনে হয় এখন আমরা ঠিক কাজটাই করছি।”

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, চীনের সঙ্গে সীমান্ত প্রতিরক্ষার স্বার্থে সেখানে এরকম অবকাঠামো তৈরি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

“আমরা শান্তি চাই, কিন্ত সেই শান্তি হতে হবে মর্যাদার সঙ্গে। যারা মনে করে আমরা দুর্বল, তাদের ঠেকানোর সক্ষমতা আমাদের প্রয়োজন।”

ভারত ইতোমধ্যে অরুণাচলে দুই ডিভিশন সৈন্য মোতায়েন করেছে।

“কিন্তু সৈন্য সংখ্যা বাড়িয়ে কোন লাভ হবে না যদি না সেখানে তাদের দ্রুত চলাচলের জন্য রাস্তা এবং সেতু না থাকে”, বলছেন জেনারেল গগনজিৎ সিং।

একজন সামরিক প্রকৌশলী বিবিসিকে জানিয়েছেন, ঢোলা সাডিয়া সেতু দিয়ে ষাট টন ওজনের সামরিক ট্যাংক যেতে পারবে।

তবে এই সেতু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও অনেক উৎসাহ।

এলাকার একজন বাসিন্দা গুনজন সাহারিয়া বলেন, ” ছয়টি নদী এসে মিশেছে এমন এক জায়গায় এরকম একটি সেতু তৈরি করা যাবে, সেটি অকল্পনীয় ছিল।”

আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোওয়াল বলেন, এটি কেবল একটি সামরিক ব্যাপার নয়। এই সেতু আসাম এবং অরুণাচলের দূর্গম এলাকাগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নেও সহায়ক হবে।

নদীর দুই তীরে যারা থাকেন, তাদের যাতায়তের ক্ষেত্রে এখন আগের চেয়ে আট ঘন্টা কম সময় লাগবে।সূত্র- বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!