1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
১লা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সবার এমপি হতে চাই: সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (লেবু মওলানা) পলাশবাড়ীতে নবনির্বাচিত এমপির শুভেচ্ছা বিনিময়- সাংবাদিক ফেরদাউস মিয়াকে ফুলেল সম্মান গাইবান্ধায় পাঁচটির মধ্যে ৪ টিতে জামায়াত ১টিতে বিএনপি’র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত গাইবান্ধা-৩ আসনে বেসরকারীভাবে জামায়াতে ইসলামীর নজরুল ইসলাম লেবু বিজয়ী দেশের নতুন কাণ্ডারী তারেক রহমান বেসরকারি ফলে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯ ও জামায়াত ৬৮ আসনে জয়ী : ইসি সচিব জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে : ইসি রংপুর-২ আসনে বিপুল ব্যবধানে এটিএম আজহারুল ইসলামের বে-সরকারি বিজয় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার তারাগঞ্জে ভোটগ্রহণের হার ৬৬.৩৬ শতাংশ

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন রোগিরা অসহায় প্রায় ওষুধ কিনতে হয় বাহির থেকেই ইমারজেন্সি বিভাগ চিকিৎসক শূন্য

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রোগিরা চরম অসহায়। প্রায় ওষুধ কিনতে হয় বাহির থেকে। ইমারজেন্সির দায়িত্বে চিকিৎসক শূন্য।

বুধবার রাত এগারোটায় সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, রোগিরা সত্যি-সত্যিই নিরুপায়-অসহায়।

এসময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসহায়-দরিদ্র রোগির সাথে থাকা ভূক্তভোগি স্বজনরা আবেগ-আক্ষেপের সুরে জানান, ছোট-খাট নামমাত্র দু’একটি ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ সমূহ বাহির থেকে কিনতে হয়। এহেন পরিস্থিতি শুধু আজকের নয়।

দীর্ঘ দিনের-দীর্ঘ বছরের। বছরের পর বছর ধরে চলছে একই পরিস্থিতি। নেই কোন জবাবদিহিতা। নেই  কোন কৈ-ফিয়ত। এখানে যত সব অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা সদরের উদয়সাগর গ্রামের মৃত খেতাব উদ্দিন শেখের ছেলে তহিরা শেখ (৫৫) বুধবার সন্ধায় পারিবারিক কলহের কারনে মনের রাগে ক্ষোভে-দুঃখে নিজ বাড়ীতেই সবার অজান্তে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে কীটনাশক পান করে।

সময়ের ব্যাবধানে সে গুরুতর অসুস্হ্য হয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিক তাকে চিকিৎসার জন্য পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির পর হতে প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ এবং হাসপাতালে নিয়োজিত সংস্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীলদের চরম অবহেলায় এক পর্যায়ে দরিদ্র তহিরা প্রায় মৃত্যু মুখে নিপেতিত হয়।

পরবর্তিতে তার পরিবারের এবং আত্মীয়-স্বজনরা অর্থের সংস্থার করে তড়িঘরি ওষুধের ব্যবস্থা করায় কিছুটা সুস্থ্যতা ফিরে পায়।

এরকম অনেক রোগিই প্রতিদিন প্রতিটি মূহুর্ত্বেই রোগিরা নানাভাবে হয়রানি ও চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন।

শুধু ওষুধই নয়। রোগিদের প্রতি অবজ্ঞা-অবহেলা ছাড়াও রোগিদের মাঝে প্রাত্যহিক পথ্য-খাদ্য বিতরনে অনিয়ম যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

মান-স্বাদহিন তরিতরকারি সমূহ খেয়ে রোগিরা যেন আরো রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ যেন পিঁছু ছাড়ছে না।

প্রসাব-পায়খানাসহ পয়ঃনিস্কাশনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এতই লাজুক-দুর্বিসহ যে স্ব-চোঁখে না দেখলে বিশ্বাস করা দুরুহ ব্যাপার।

এছাড়া হাসপাতালটি রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন রাত-দিন নিকটবর্তি সড়ক-মহাসড়কে সংঘটিত সড়ক দূর্ঘটনায় আহতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথমে এ হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়। এ ক্ষেত্রে গুরুতর আহত ছাড়াও প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণের মত এমন রোগিদেরও তাৎক্ষনিক অন্যত্র স্থানান্তরের ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয়ে থাকে। এ  প্রবণতা দীর্ঘদিনের।

ফলে; হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসা রোগিদের প্রদত্ত্ব সরকারি সুযোগ-সুবিধাগুলো গ্রহণ যেন শুভংকরের ফাঁকিতে ফাঁকিতে পরিনত হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপরিতে সরকারের যতসব বরাদ্দ ও বিতরনের হিসাব-নিকাশ সমূহ যেন শুধু কাগজ-কলমেই সিমাবদ্ধ। এ হাসপাতালে সব অনিয়ম’ই যেন নিয়ম।

বিগত সময় হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ পাচার কালে জনতার হাতে-নাতে স্টোরকিপার আটক মামলা-মোকর্দ্দমার ঘটনাও ঘটেছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার রেজাউল করিম তার চাকুরি জীবনের প্রায় ২ যুগ ধরে একই কর্মস্থলে কর্মরতসহ অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারিই দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে অবস্থান করছেন।

আর এসব কারনে এ হাসপাতালে সরকারের স্বাস্থ্যসেবার প্রকৃত উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। সব অনিয়ম-দুর্নীতি সমূহ যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে।

বুধবার রাত এগারোটার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ইমারজেন্সি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক উপ-সহকারি মেডিকেল অফিসার ডা. মজিদুল হক তার চেয়ারে নেই। এমনকি গোটা হাসপাতাল সন্ধান করেও দায়ীত্বরত ওই চিকিৎসকের অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল না। এই হলো হাসপাতালের বাস্তব পরিস্থিতি।

চির অবহেলিত উপজেলার ৯ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকা হতে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা সচেতন ভূক্তোভোগি মহল হাসপাতালে বিরাজমান লাজুক পরিস্হিতি নিরসনে নির্বাচনি এলাকার মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মো. ইউনুস আলী সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগীয় সংশ্লিষ্ট উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের যথাযথ জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!