1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
নাশকতার মামলায় গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ সরকার গ্রেফতার গাইবান্ধা-২ আসনের বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ পলাশবাড়ীতে যুবদলের নির্বাচনে করণীয় শীর্ষক কর্মীসভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শিশু সাংবাদিকতার কর্মশালা শেষে সনদ বিতরণ পলাশবাড়ীতে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ীতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি নাইট ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ভ্রাম্যমান আদালতে কারাদণ্ড গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ পলাশবাড়ীতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডবয়ের দৌরাতেœ্য অতিষ্ঠ এলাকাবাসি

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

এটিএম আফছার আলী, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকেঃ সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডবয় হারুন অর রশিদের দৌরাতেœ্যর অতিষ্ঠ এলাকাবাসি।

জানা গেছে, তারাপুর ইউনিয়নের চাচিয়া মীরগঞ্জ গ্রামের ওসমান আলী মাস্টার দীর্ঘদিন আগে সরকারি খাস জমি থেকে ৭ শতাংশ জমি ভাগিনা আজিজুল হক কুড়ির নামে ডিসিআর করে দেয়। ডিসিআরকৃত জমি ভাগিনাকে বুঝিয়ে না দিয়ে ২ ছেলে সাইদুল ইসলাম ও সফিউল ইসলাম সফুকে বাড়ি করে দেয়। এমতাবস্থায় সফু জেল হাজতে থাকায় সোমবার ওই জমির একাংশের সুপারি বাগানে গাছ কাটতে যায় সিরাজুল ইসলাম বাচ্চুর ছেলে ওয়ার্ড বয় হারুন অর রশিদ। এতে সফু  মিয়ার স্ত্রী ও কন্যা সাগরি বাঁধা দিতে গেলে হারুন অর রশিদ ও তার ভাই হাবিবুর রহমান নয়ন এবং মা হালিমা বেগম তাদেরকে মারপিট করে। সফু মিয়ার স্ত্রী ও কন্যাকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। বর্তমানে সফু মিয়ার স্ত্রী ও কন্যা রংপুর মেডিকেল কলেজ  হাসপালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মামলায় পড়ার ভয়ে সুচতুর ওয়ার্ড বয় হারুন অর রশিদ নিজেই নিজের জখম করে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভাই ও মাকে নিয়ে ভর্তি হন। মেডিকেলের স্টাফ হওয়ায় সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই দিন  সন্ধ্যা বেলায় বাড়িতে গিয়ে নিজের ওষুধের দোকান থেকে সব ওষুধ সরিয়ে ফেলে। পরে গভীর রাতে ওই দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। ঘটনার ২দিন পর ১৯ এপ্রিল ১১ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মিথ্যা মামলায় এলাকাবাসি স্বাক্ষি দিতে অস্বীকৃতি জানার কারণে অন্য এলাকার লোকজনকে স্বাক্ষী করে মামলা সাজায়।

হারুন সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানীয় ভাবে দীর্ঘদিন থেকে চাকরি করায় রোগীদের সাথে প্রায়ই অনাকাঙ্খিত আচরণ করে থাকে। পাশাপাশি সে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়ায় ধরাকে সড়া জ্ঞান করে বিভিন্ন সময় মানুষকে ভয়ভীতি হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বলে জানান তার এক  প্রতিবেশি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসির জোর দাবি তাকে খুব শিঘ্রই অন্যত্র বদলী করে সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে প্রভাব মুক্ত করা হোক। সব মিলে ওয়ার্ডবয় হারুন অর রশিদের বেপরোয়া আচারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসি।

 

 

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft