শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
৭ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সৌদির সাথে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন ব্রহ্মপুত্রে ধরা পড়ল ৯০ কেজির বাঘাইর: ১ লাখে বিক্রি, মাছ কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লালমনিরহাটে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শতাধিক পরিবারের ঈদ উদযাপন তারাগঞ্জে মঞ্জুরুল হত্যায় গ্রেপ্তার আরও ১,বেরিয়ে আসছে পরিকল্পিত খুনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পলাশবাড়ীতে বাসচাপায় অজ্ঞাত নারী নিহত গাইবান্ধায় খালের পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল যুবক গ্রেফতার লালমনিরহাটে ঈদ উপলক্ষে ‘রোজ’ এনজিওর খাদ্য সহায়তা বিতরণ বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৬ মোবাইল ও ২৪ সিম

প্রিন্স মুসার নামে তিনটি মামলা করবে শুল্ক গোয়েন্দা

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২২ মার্চ, ২০১৭
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

কথিত ধনকুবের প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের ব্যবহৃত বিলাসবহুল গাড়ি রেঞ্জ রোভার জব্দ করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা। গাড়িটি জব্দের সঙ্গে সঙ্গে তিনটি মামলাও করা হচ্ছে মুসার নামে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় মুসা বিন শমসেরের ব্যবহৃত শুল্ক ফাঁকি দেওয়া কালো রংয়ের রেঞ্জ রোভার গাড়িটি জব্দ করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম কে নিশ্চিত করেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড.মঈনুল খান।

এ বিষয়ে ড.মঈনুল সংবাদ কর্মীদের বলেন, তিনটি আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। প্রথমত শুল্ক ফাঁকির দায়ে শুল্ক আইনে, দ্বিতীয়ত বিআরটিএ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গাড়িটি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে সেখানে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের মামলা হবে এবং তৃতীয়ত মানি লন্ডারিং আইনেও তার নামে মামলা করা হবে। কেননা এখানে বিভিন্নভাবে অর্থ রূপান্তর হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে  মুসা ও ফারুজ্জামানের বক্তব্য গ্রহণে শুল্ক গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এরপর তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হবে। কেননা মামলা করার মতো সকল তথ্য প্রমাণাদি শুল্ক গোয়েন্দার হাতে রয়েছে। তাই কোনোভাবেই মামলার হাত থেকে রেহাই পাবেন না শমসের বিন মুসা।

এর আগে আওয়ামী লীগের নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বেয়াই শমসের বিন মুসার শুলশান ২ এর বাসা ৫এ/বি, হাউস ৮, রোড ১০৪ এ বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে বলে শুল্ক গোয়েন্দা জানতে পারেন। মঙ্গলবার সকালে শুরু হয় অভিযান। কিন্তু গাড়িটি মুসার বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। সকালে গাড়িটিতে করে মুসার নাতিকে ধানমন্ডির একটি স্কুলে পাঠানো হয়। সেই তথ্যও শুল্ক গোয়েন্দা জানতে পারে। এরপর অন্য একটি গাড়িতে করে দুপুর ২টার দিকে নাতিকে বাসায় আনা হয়। অবশেষে বিকেল ৩টার দিকে ধানমন্ডির হাউস ৫১-এ, রোড ৬এ-র লেকব্রিজ অ্যাপার্টমেন্টে থেকে গাড়িটি উদ্বার করে শুল্ক গোয়েন্দার ১৫ অভিযানিক দল।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা যায়, গাড়িটি ভুয়া আমদানি দলিল দিয়ে ভোলা ঘ ১১-০০-৩৫ হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়া হয়েছিল। কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিল অব এন্ট্রি ১০৪৫৯১১ তারিখ ১৩/১২/২০১১ এ ১৩০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে ভোলা থেকে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এছাড়াও রেজিস্ট্রেশনে গাড়িটির রং সাদা উল্লেখ থাকলেও উদ্ধারকৃত গাড়িটি কালো রংয়ের। আর কাস্টমস হাউসের নথি যাচাই করে এ বিল অব এন্ট্রি ভুয়া হিসেবে প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া শুল্ক গোয়েন্দা ভোলার বিআরটিএ থেকে জানতে পারে গাড়িটি পাবনার ফারুকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী গাড়িটি মুসা বিন শমসের ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করেছেন।

২০১৫ সালের ৭ জুন দুদকে দেওয়া সম্পদ বিবরণী মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় দুদক আইন ২৬ (১) ও (২) ধারায় ২০১৬ সালের ১০ মার্চ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ দুদকের মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে ছয় পৃষ্ঠার চিঠি পাঠান মুসা। ছয় পৃষ্ঠার সেই চিঠিতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমানে মুসার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটি দুদকের চলমান রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft